চলতি বছরের ২রা মে প্রকাশিত হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। তারপর থেকেই স্ক্রুটিনি ও রিভিউয়ের জন্য আবেদন জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপরে নতুন ফল প্রকাশের পর মেধাতালিকায় ঘটল বড়সড় রদবদল। নতুন তালিকায় প্রথম দশে উঠে এসেছে আরও ৯ জন পড়ুয়া। মোট মেধাতালিকাভুক্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৫। ফল ঘোষণার দিন, ২ মে, এই সংখ্যা ছিল ৬৬।
বুধবার সেই স্ক্রুটিনি ও রিভিউয়ের পর নতুন করে ফল প্রকাশিত হয়। এই নতুন ফলাফলে বহু পরীক্ষার্থীর নম্বর বেড়েছে। এই নতুন ফলাফলে প্রায় ১০ হাজার ৬০ জন পরীক্ষার্থীর নম্বরে পরিবর্তন হয়েছে। রিভিউয়ের পরে পরিবর্তন হয়েছে আরও ১ হাজার ১৮২ জন পড়ুয়ার নম্বরে। নতুন এই ফলাফল এখন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে। বাঁকুড়ার দেবজিৎ লাহা ও পূর্ব মেদিনীপুরের অন্তরীপ মাইতি ১১ নম্বর স্থান থেকে উঠে এসেছে ৮ নম্বরে। দক্ষিণ দিনাজপুরের চয়ন রায় ৯ নম্বর স্থান দখল করেছে। কোচবিহারের অনন্যা মজুমদার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রেরণা বৈদ্য দু’জনেই উঠে এসেছে ১০ নম্বরে।
স্ক্রুটিনির পর ১২ নম্বর স্থান থেকে ৯ নম্বরে উঠে এসেছে রূপম দীক্ষিত। একইরকম ভাবে মালদহের প্রজ্ঞান দেবনাথ ও সায়নদীপ ঘোষ ১২ নম্বর থেকে ১০ নম্বর স্থানে পৌঁছায়। পূর্বের ১৩ নম্বর স্থান থেকে ১০ নম্বরে উঠে এসেছে সোহম করণ।
এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের সুপ্রতিক মান্না চতুর্থ স্থান থেকে উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। তার মোট নম্বর বেড়ে হয়েছে ৬৯৪। মালদহের সৃজন প্রামাণিক ও বাঁকুড়ার সৌপ্তিক মুখোপাধ্যায় ৮ নম্বর স্থান থেকে ৭ নম্বরে পৌঁছেছে। বীরভূমের সম্যক দাস ১০ নম্বর থেকে উঠে এসেছে ৯ নম্বরে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্কুলে পুরনো মার্কশিট জমা দিয়ে নতুন মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবে।







