৫ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠের পর এবার ব্রিগ্রেড সমাবেশে লক্ষ কন্ঠে হরিনাম সংকীর্তনের ঘোষণা করেছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের সংঘাতিপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর। যদিও তা এবছর নয় নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে এই সমাবেশ করার কথা জানিয়েছেন মমতা বালা ঠাকুর।এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে ঠাকুরপন্থী অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের গোসাই পরিষদের সভাপতি নান্টু হালদার বলেন, “আমরা একটা অরাজনৈতিক কর্মসূচি করতে চাই। লক্ষ কণ্ঠে হরিনাম সংকীর্তন হবে। জানুয়ারি মাসেই কোনও একটা দিন নির্ধারিত হবে।”
যদিও এই সমাবেশে কোনো রাজনৈতিক দলের ছোঁয়া থাকবে না বলে জানিয়েছেন সভাপতি। তিনি বলেন , “সবাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে করছেন। কেউ গীতাপাঠের আয়োজন করছেন, কেউ কোরানা পাঠের আয়োজন করছেন। কিন্তু মতুয়ারা একেবারেই অরাজনৈতিক।” তবে কেন এই সমাবেশের আয়োজন , সেই প্রশ্নের উত্তরে নান্টু হালদার জানান, হরিনামের শেষে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোটার তালিকায় মতুয়াদের নাম উঠানোর কথা জানানো হবে।
পাশাপাশি CAA ফর্ম ফিলাপ করেও মতুয়ারা যে নাগরিকত্ব পায়নি সেই নিয়েও প্রতিবাদ জানানো হবে সেই সমাবেশে। যদিও এই ঘোষণার পর তেড়েফুঁড়ে আসরে নেমেছে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল। বিজেপি নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে বলেন, “CAA নিয়ে ওনারা ভুল বুঝেছেন বা কেউ ভুল বুঝিয়েছেন। সব হিন্দুই নাগরিকত্ব পাবেন। আর মতুয়াদের হরিনাম সংকীর্তনের আমন্ত্রণ পেলে আমরা সবাই যাব। কিন্তু গীতাপাঠে যখন মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তিনি আসেননি।”







