গতকাল শেষ হয়েছে নেপালের অন্তর্বতী সরকার নির্বাচন।রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল এর তত্ত্বাবধানে শপথবাক্য পাঠ করেন সুশীলা কারকি। নেপালের সেনার আদেশে সুশীলাদেবী দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেও আন্দোলনকারীরা এখনও খুশি নন। তাঁরা দুর্নীতিকে নির্মূল করতে সম্পূর্ণ বদল চাইছেন। তাঁদের বক্তব্য, শুধু সরকার নয়, নেপালের সমগ্র সিস্টেম দুর্নীতিগ্রস্ত।
এর মধ্যেই পরবর্তী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করলো রাষ্ট্রপতি ভবন। আগামী বছরের মার্চ মাসে নির্বাচন সংগঠিত হতে পারে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকারের এক বছর পূরণ হলেও নির্বাচন সংগঠিত হয়নি। আগামী ৪ মাসের জন্য এই পদে থেকে দেশকে শান্ত ও দুর্নীতিমুক্ত করাকে কারকি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিলেও তাঁর সরকারে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্ত্রীকে নিয়োগ করা হয়নি। আন্দোলনকারীরা বদলের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবে বললেও নেপাল সেনা চাইছে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। দেশের সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস, সুপ্রিম কোর্ট জ্বলে যাওয়ার সাথে সাথে প্রাণ গেছে ২০ টি তরতাজা প্রাণের। কাঠমান্ডুতে জারি হয়েছে কার্ফু।দোকানপাট, বাজার বেশিরভাগ বন্ধ,থমকে গেছে গণপরিবহন সেবা। সেনাদের আশা,আস্তে আস্তে সব কিছু সাধারণ ছন্দে ফিরবে।







