ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে আসতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তবে তার আসার আগেই তীব্র হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। সাংসদের স্পষ্ট বক্তব্য , “ফোর্স নিয়ে এলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুজো দিতে দেবেন না।” তিনি আরো বলেন , “ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ আসতে পারে, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু অভিষেক যেভাবে প্রচুর পুলিশ ফোর্স নিয়ে আসে, সেটা শক্তি প্রদর্শন ছাড়া আর কিছু নয়। এইভাবে এলে আমি পুজো করতে দেব না। হাজার হাজার মতুয়া জমায়েত হবে, ধিক্কার মিছিল চলবে।”
তার স্পষ্ট বক্তব্য , ” ভোটের আগেই কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠাকুরবাড়িতে আসতে হয়? তিনি যখন আসেন এক হাজার পুলিশ নিয়ে আসা যাবে না। এখানে আসতে হলে ভক্তসুলভ মন নিয়ে আসতে হবে, পুজো দিয়ে বেরিয়ে যেতে হবে। এখানে কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য, বাড়ির সদস্যদের নিয়ে কোনও কথা আমরা শুনব না।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানান, “আমরা ঠাকুরবাড়িতে জমায়েত রাখব। অভিষেক ঢুকলে তাঁর উদ্দেশ্য কী, সেটা দেখব। তারপরই যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হবে, তাই করব।”
অভিষেকের পাশাপাশি মমতা বন্দোপাধ্যায়কেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন শান্তনু ঠাকুর। তিনি দাবি করেন , হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম মূখ্যমন্ত্রী বিকৃত করেছেন । তাকে ক্ষমা চাইতেও বলছেন বিজেপি সাংসদ। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ঠাকুরবাড়িতে মূল মন্দিরে ঢোকার সময় অভিষেককে উদ্দেশ্য করে ‘ চোর চোর ‘ স্লোগান তোলা হয় । তাকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। তৃণমূল নেতার নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে , তাদেরকেও সরিয়ে দেওয়া হয় । সেই ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে অভিষেক বলেন , “মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করছেন শান্তনু ঠাকুর, মানুষ এর জবাব দেবে।”







