বরোদার কোটাম্বি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি এক কথায় ছিল উত্তেজনায় ঠাসা। শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। কিউইদের দেওয়া ৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করলেও জয়ের কৃতিত্ব দিতে হবে বিরাটের লড়াই আর শেষ বেলায় কেএল রাহুলের মাথা ঠান্ডা রাখা ব্যাটিংকে।
এদিন টসে জিতে ভারতকে ফিল্ডিংয়ে পাঠিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিউই ব্যাটাররা কিন্তু শুরু থেকেই বেশ জমাটি ছিলেন। ড্যারিল মিচেলের ৮৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংসের পাশাপাশি হেনরি নিকোলস (৬২) এবং ডেভন কনওয়ে (৫৬) দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ভারতের হার্ষিত রানা, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিধ কৃষ্ণের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে ৩০০ রানে থামে। ভারতের এই তিন পেসারই দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
রান তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটা মন্দ ছিল না। রোহিত শর্মা মাত্র ২৬ রান করলেও এদিন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৫০টি ছক্কার এক অনন্য রেকর্ড গড়েন। অধিনায়ক শুভমান গিল ৬৬ বলে ৫৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেন। তবে পুরো স্টেডিয়ামের নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। এদিন বিরাট আবারও নিজের চেনা মেজাজে ধরা দিলেন। ব্যাটিং চলাকালীন তিনি শচীন তেন্ডুলকরকে টপকে দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে (৬২৪ ইনিংস) আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮,০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও শেষমেশ ৯৩ রানে কাইল জেমিসনের বলে আউট হওয়ায় ৮৫তম শতরানটি হাতছাড়া হয় তাঁর।
বিরাট ও শ্রেয়স আইয়ার (৪৯) আউট হওয়ার পর ম্যাচে খানিকটা নাটকীয় মোড় আসে। মনে হচ্ছিল ভারত হয়তো খেই হারিয়ে ফেলবে। কিন্তু শেষদিকে কেএল রাহুল ছিলেন অবিচল। ২১ বলে অপরাজিত ২৯ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ ওভারে ৪, ৪ এবং ৬ মেরে ম্যাচ পকেটে পুরে নেন রাহুল। ৪ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নেয় টিম ইন্ডিয়া।







