ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি এসে রাজ্যের আবহাওয়ায় স্পষ্ট বদলের ইঙ্গিত। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান ক্রমশ কমছে, আর সেই সঙ্গেই শীতের আমেজও ফিকে হতে শুরু করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে কিছুটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সপ্তাহান্তে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। রবিবারের মধ্যে দিনের বেলায় শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই।
তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকায় সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গেলেও, নতুন করে পরপর দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবেশ করতে পারে। এরই প্রভাবে দ্রুত শীত বিদায় নেবে বলে অনুমান।
কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলেও তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কলকাতায় পারদ ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।
এদিকে দিল্লির মৌসম ভবন আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে, চলতি বছরে রাজ্যসহ গোটা দেশেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশের কিছু অংশে গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেরালার কন্নুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পশ্চিম রাজস্থানের পালিতে—৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।







