সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তানের লাগাতার উসকানি—গোলাগুলি, ড্রোন হামলা ও বেসামরিক এলাকায় আঘাত—ভারতীয়দের মনে আবার প্রশ্ন তুলেছে: কতটা কঠোর হতে পারে ভারত? মোদী সরকারের তরফে সীমিত পাল্টা জবাব, কূটনৈতিক প্রতিবাদ ও আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা দেখা গেলেও, অনেকেই মনে করছেন এতে পাকিস্তানের ‘মানসিকতা’ বদলায়নি।
ইতিহাস বলছে, ১৯৭১-এ ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তার ফলেই জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। সেই সময় ভারত কূটনীতির পাশাপাশি সামরিক শক্তিরও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। তুলনায় মোদী সরকারের বর্তমান প্রতিক্রিয়া অনেক বেশি সংযত ও কৌশলগত—যদিও অনেকের মতে তাতে দৃঢ় বার্তার ঘাটতি রয়েছে।
তবে বর্তমান বাস্তবতা ভিন্ন। দুই প্রতিবেশীই এখন পরমাণু শক্তিধর। যেকোনো সামরিক সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই মোদী সরকারের সংযম হয়তো সচেতন সিদ্ধান্ত—আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে জয়ের কৌশল।
তবুও প্রশ্ন রয়ে যায়—ভারত কি শুধু প্রতিক্রিয়ায় ব্যস্ত? নাকি রাজনৈতিক নেতৃত্বে এখনও ইন্দিরার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসের অভাব রয়েছে?
এই বিতর্ক যতটা কূটনৈতিক, ততটাই মনস্তাত্ত্বিকও। পাকিস্তানকে সত্যিকারের শিক্ষা দিতে হলে হয়তো শুধু গোলাবর্ষণ নয়, প্রয়োজন স্পষ্ট, দৃঢ় ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান।
আপনি কী মনে করেন—সময় এসেছে কি আরও কঠোর বার্তা দেওয়ার?







