পূর্ব মেদিনীপুর: West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে ফের উত্তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুর। শনিবার সকালে ময়নার বাকচা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর জনসংযোগ ঘিরে ছড়াল তীব্র অশান্তি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে।
কী ঘটেছে?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল অনুগামীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে প্রচার করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল যুবক মিছিলে হামলা চালায়।
Moyna Bakcha Violence-এর জেরে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হন। একজনের মাথা ফেটে যায় বলেও খবর।
হুড়োহুড়ির মধ্যে আক্রান্ত হন প্রার্থী চন্দন মণ্ডল নিজেও। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তৃণমূলের অভিযোগ
তৃণমূলের দাবি, এই হামলার পেছনে রয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রার্থী চন্দন মণ্ডলের সরাসরি অভিযোগ,
“নিশ্চিত হার বুঝেই বিজেপি এই পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে।”
বিজেপির পাল্টা দাবি
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের দাবি—
এই ঘটনা কোনও বিরোধী দলের হামলা নয়, বরং তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।
উল্লেখ্য, চন্দন মণ্ডল আগে বিজেপিতে ছিলেন। সম্প্রতি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দিয়ে প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় স্তরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে গেরুয়া শিবিরের দাবি।
প্রশাসনের ভূমিকা
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি প্রশমিত নয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনায় থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ—
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, না কি রাজনৈতিক হামলা—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সংবেদনশীল এলাকা, বাড়ছে চাপ
ময়নার বাকচা অঞ্চল বরাবরই স্পর্শকাতর বলে পরিচিত। নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। নির্বাচন কমিশনও বিষয়টি নজরে রেখেছে বলে সূত্রের খবর।
রাজনৈতিক বার্তা
ভোটের আগে এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিল—
👉 মাটির লড়াই এখন চরমে
👉 দলবদল রাজনীতির প্রভাব বাড়ছে
👉 স্থানীয় স্তরে সংঘর্ষই নির্ধারণ করতে পারে ফলাফল







