তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী Mamata Banerjee স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তৃণমূলের একজনকে গ্রেফতার করা হলে, আপনাদের হাজারো অ্যারেস্ট হবে।” তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “মধ্যরাতে ED রেড করছে। একজনকে ধরলে হাজার মানুষ রাস্তায় নামবে—আমাদের মা-বোনেরা প্রতিবাদে সামিল হবেন।”
এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে I-PAC-এর ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি। অভিযোগ, হাওয়ালার মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেন হয়েছে। যদিও এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই দাবি শাসক শিবিরের।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, “নির্বাচনের আগে এই ধরনের পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—বিরোধী হলে আপনার পরিণতিও একই হতে পারে। এটা গণতন্ত্র নয়, ভয় দেখানোর রাজনীতি।”
অন্যদিকে, পাল্টা আক্রমণে সরব বিজেপি। বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী Sukanta Majumdar কটাক্ষ করে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে অসংলগ্ন মন্তব্য করছেন। মানুষ যখন বেশি ভয় পায়, তখন এমন আচরণই দেখা যায়।”
Trinamool Congress ও Bharatiya Janata Party—দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির এই সংঘাত নির্বাচনের আগে আরও তীব্র হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, এবং গণতন্ত্রের প্রশ্ন—সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে এই গ্রেফতারি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রাজনীতির ময়দানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আগামী দিনে এই সংঘাত আরও কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।







