লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ আইন ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি। শাসক-বিরোধী তরজায় সংসদ কার্যত সরগরম, আর তার মধ্যেই হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদী সরকারের কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
শুক্রবার ভোটাভুটির আগে পর্যন্ত পরিস্থিতি ছিল অনিশ্চিত। বিরোধীদের প্রবল আপত্তি, শাসক শিবিরের অনড় অবস্থান সব মিলিয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত বিতর্ক চলেছে লোক সভায়। এরই মধ্যে আচমকাই ২০২৩ সালে পাশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রের তরফে, যা নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার সেই শর্তে পরিবর্তন আনতে চাইছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন জনগণনার অপেক্ষা না করে ২০১১ সালের তথ্য বা বর্তমান আসনের অনুপাতের ভিত্তিতে সংরক্ষণ কার্যকর করা যেতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষমতাও সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই প্রস্তাবেই আপত্তি তুলেছে বিরোধীরা, যারা এটিকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর হস্তক্ষেপ বলে দাবি করছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগের আইন কার্যকর না থাকলে সংশোধনী পাশ হলেও তা কার্যকর করা কঠিন হত। সেই কারণেই হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি। সব মিলিয়ে, মহিলা সংরক্ষণ ইস্যুতে দেশের রাজনীতি এখন নতুন মোড়ে। শুক্রবারের ভোটাভুটি এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।







