ভোটের প্রাক্কালে রবিবার ভোরেই কলকাতা জুড়ে চাঞ্চল্য। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঠিকানায় একযোগে অভিযান চালায়। বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে এক ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের ফ্ল্যাটের পাশাপাশি, বেহালায় সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর Joy S. Kamdar-এর বাড়িতেও তল্লাশি শুরু হয় ভোরবেলা থেকেই।
বন্ধ গেট, কুকুর, আর ৪০ মিনিটের অপেক্ষা
সূত্রের খবর, বেহালায় জয় এস. কামদারের বাড়িতে পৌঁছেই বাধার মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। বিশাল গেট বন্ধ ছিল, ভিতরে ছাড়া ছিল কুকুর। ফলে প্রায় ৪০ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তদন্তকারীদের। পরে সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ গেট খোলা হলে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।
এই ঠিকানায় ইডির হানার পেছনে রয়েছে পুরনো তদন্তের সূত্র। এর আগেও জয় এস. কামদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি।
এই মামলার সূত্রেই উঠে আসে মূল অভিযুক্ত Sona Pappu-র নাম। যদিও এখনও পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ, সমাজমাধ্যমে তাঁর সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জয় কামদারকে এর আগে দু’বার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান বলে সূত্রের খবর। সেই কারণেই এবার সরাসরি তল্লাশির পথে হাঁটে তদন্তকারী সংস্থা।
বর্তমান পরিস্থিতি
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, জয় এস. কামদারের বাড়িতে তল্লাশি চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও বড়সড় নথি বা নগদ উদ্ধারের খবর মেলেনি। তবে তদন্তকারীরা গোটা ঘটনার আর্থিক লেনদেন ও যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
ভোটের ঠিক আগে এই ধরনের অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে সময় নির্বাচন নিয়ে, অন্যদিকে শাসক শিবিরের দাবি—আইন আইনের পথেই চলছে।







