সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছিল পরিচয়। রিলসে লাইক, কমেন্ট আর চ্যাট— ধীরে ধীরে তা গড়ায় তথাকথিত প্রেমে। আর সেই সম্পর্কের জেরেই এবার উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ৪০ বছর বয়সী এক নারী থানায় গিয়ে অভিযোগ করলেন, তাকে বিয়ে করে ছেড়ে চলে গিয়েছে তার প্রেমিক। কিন্তু পুলিশও হতবাক হয়ে যায় যখন জানা যায়, অভিযুক্ত ‘প্রেমিক’-এর বয়স মাত্র ১৪ বছর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নারী গোরখপুরের বাসিন্দা এবং চার সন্তানের জননী। কয়েক মাস আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পরিচয় হয় চেন্নাইয়ে বাবার সঙ্গে থাকা এক কিশোরের সঙ্গে। প্রথমে সাধারণ আলাপ হলেও পরে তা ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। মহিলার দাবি, দু’জনের মধ্যে বিয়েও হয়েছিল। যদিও সেই দাবির কোনও আইনি নথি বা প্রমাণ মেলেনি।
সম্প্রতি কিশোরটি সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চাইলে ক্ষুব্ধ হয়ে নওতনওয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নারী। তিনি দাবি করেন, “বিয়ের পর” তাকে পরিত্যাগ করা হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি নাবালককে ঘিরে হওয়ায় পুলিশ অত্যন্ত সতর্কভাবে তদন্ত শুরু করে। পরে উভয় পক্ষকে কাউন্সেলিং করানো হয়। শেষ পর্যন্ত ওই নারী আর কোনও আইনি পদক্ষেপ নিতে চাননি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবাধ ব্যবহারের দিকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভার্চুয়াল সম্পর্ক অনেক সময় বাস্তবের সীমারেখা ভেঙে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যখন অপ্রাপ্তবয়স্করা জড়িত থাকে।







