‘তাঁর যোগ্য জায়গা হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে, নাহলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে। বাইরে থাকার কোনও অধিকার নেই পরেশ অধিকারীর। তিনি যখন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তখন তাঁর মেয়েকে বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন। বহু লোকের কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়েছেন। বারবার দল বদল করে ক্ষমতায় থেকেছেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে এত দুর্নীতির সঙ্গে যিনি যুক্ত, তাঁকে জেলে রাখাই উচিত।’ প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সামনাসামমি হওয়ার বিষয় প্রসঙ্গে সরব হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দিলীপের সংযোজন, ‘ধীরে ধীরে দুর্নীতিতে যুক্ত আরও অনেক নাম সামনে আসবে। অনেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছ থেকে ডাক পাবেন। সেই প্রক্রিয়া চলছে।’ উল্লেখ্য, ববিতা সরকার নামে এক যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে। আদালতে মামলা উঠলে অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে সমস্ত টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশদান করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিযোগ ওঠে, পরেশ অধিকারীর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের অন্যতম শর্ত ছিল চাকরি দিতে হবে তাঁর মেয়েকে।
গতকাল অর্থাৎ সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা দেন পরেশ। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা চলে জিজ্ঞাসাবাদ। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি জানান, কিছু নথিপত্র দেখেছে ইডি। ফের তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে, এমনটাই সূত্রের খবর।







