কংগ্রেস সদর দপ্তরে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সেই বিতর্কের মাঝেই রবিবার রাজস্থানের চিত্তোরগড়ের এক জনসভা থেকে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সাফ কথা, এমন ‘অপরাধের’ কোনও ক্ষমা নেই। এবার সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন অভিনেতা মুকেশ খান্না।
বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য প্রায়ই আলোচনায় থাকেন ‘শক্তিমান’ খ্যাত অভিনেতা। এবার তাঁর দাবি, ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ‘জন গণ মন’-এর পরিবর্তে ‘বন্দে মাতরম’কে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। রবিবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুকেশ।
অভিনেতার দাবি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী রানি এলিজাবেথের প্রশংসা করে ‘জন গণ মন’ লিখেছিলেন। একই দাবি তিনি প্রায় তিন বছর আগেও করেছিলেন বলে জানান। মুকেশের কথায়, তিন বছর আগেই তিনি বলেছিলেন, ‘বন্দে মাতরম’-কেই জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা দেওয়া উচিত।
‘বন্দে মাতরম’-এর সঙ্গে নিজের আবেগের কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা। প্রয়াত কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে গানটির পরিবেশনের প্রশংসা করে তিনি জানান, সুরকার জুটি কল্যাণজি-আনন্দজির সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এমনকি ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রায় সাত মিনিটের একটি সংস্করণ রেকর্ড করেছেন বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে সেই সংস্করণ বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে তাঁর আশা।
মুকেশের বক্তব্য, বর্তমানে স্কুল এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানগুলির শুরুতেই গানটি পরিবেশনের সিদ্ধান্তকেও তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ পরিবেশনের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন অভিনেতা।
এর আগেও একাধিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছেন মুকেশ খান্না। ‘শক্তিমান’ চরিত্রে রণবীর সিংকে দেখার বিষয়ে নিজের আপত্তির কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন তিনি। একইভাবে কমেডিয়ান সময় রায়নার সঙ্গেও প্রকাশ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ হয়েছিল তাঁর। যদিও পরবর্তীতে দু’জনকে একসঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনে দেখা যায়।






