চার বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছিলেন কন্নড় সুপারস্টার যশ। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নতুন ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ ঘিরে প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু মুক্তির পর সেই প্রত্যাশার সঙ্গে বক্স অফিসের হিসেব যেন একেবারেই মিলছে না। ছবির ব্যবসার গতি দেখে তৈরি হয়েছে বড়সড় লোকসানের আশঙ্কা।
২৬ অগস্ট মুক্তির পর প্রথম দিনেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল ‘টক্সিক’। ফলে শুরুটা দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন, ছবিটি দ্রুত ৫০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যাবে। কিন্তু এরপরই ছবির আয়ে ভাটা পড়ে। মুক্তির ১৬ দিন পরও ছবির বিশ্বব্যাপী আয় ৫০০ কোটি টাকা ছুঁতে পারেনি বলে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টগুলিতে দাবি করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে ছবির বিপুল বাজেটের কারণে। ‘টক্সিক’-এর নির্মাণে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রচার, মুক্তি, সুদ-সহ অন্যান্য খরচ যোগ করলে মোট ব্যয় ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। ফলে বর্তমান গতিতে ব্যবসা চললে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকদের একাংশ।
যশের আগের ছবি ‘KGF’ এবং ‘KGF: Chapter 2’ বিশ্বজুড়ে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল। সেই তুলনায় ‘টক্সিক’-এর ফলাফল তাই অভিনেতার জন্যও বড় ধাক্কা। ছবিতে যশের পাশাপাশি কিয়ারা আডবানি, তারা সুতারিয়া এবং হুমা কুরেশির মতো তারকারাও রয়েছেন। কিন্তু তারকাখচিত কাস্টও দর্শক টানতে পারেনি বলে দাবি বাণিজ্য মহলের।
এর মধ্যেই ছবির ব্যর্থতায় যশ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে দাবি তাঁর এক বন্ধুর। ছবিটি নিয়ে অভিনেতার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিল বলেও জানা যাচ্ছে।
আরও একটি সমস্যা তৈরি হয়েছে ডিজিটাল স্বত্ব ঘিরে। মুক্তির আগে ছবির OTT চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় এখন নির্মাতাদের চাপ আরও বাড়তে পারে। বড়সড় ব্লকবাস্টারের প্রত্যাশায় ডিজিটাল স্বত্বের দাম বাড়ার অপেক্ষা করা হয়েছিল বলে দাবি বিভিন্ন প্রতিবেদনে। কিন্তু বক্স অফিসের দুর্বল ফল সেই হিসেবই উল্টে দিয়েছে।







