দশমীর সকালে বাজে কদমতলা ঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, প্রতিমা বিসর্জনের সময় কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই প্রতিমা স্পর্শ করতে পারবেন। প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের পরিচয়ও চিহ্নিত করার কথা পুলিশকে জানিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, এই ব্যবস্থার মধ্যে কোনও সাম্প্রদায়িকতার বিষয় নেই।
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, প্রতিমা বিসর্জনের মূল দায়িত্ব পুজো কমিটিগুলিরই। এই প্রক্রিয়ায় পুলিশের সরাসরি কোনও ভূমিকা থাকে না। পুলিশের দায়িত্ব মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।
সাংবাদিক বৈঠকে সিপিকে প্রশ্ন করা হয়, প্রচলিত সনাতন বা ধর্মীয় রীতিনীতির বাইরে বিসর্জনের ক্ষেত্রে কোনও অতিরিক্ত নিয়ম কার্যকর করা হয়েছিল কি না। পাশাপাশি, প্রতিমা স্পর্শ করার ক্ষেত্রে যাঁদের চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়া পুলিশ কী ভাবে পরিচালনা করছে, তা-ও জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে অজয় নন্দ স্পষ্ট করে বলেন, পুজোর বিসর্জন মূলত সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলিই পরিচালনা করে। সেখানে পুলিশের সরাসরি কোনও ভূমিকা থাকে না। পুলিশের দায়িত্ব হল বিসর্জনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করা।
সিপি আরও জানান, বিসর্জনের সময় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে বা আইনগত কোনও ত্রুটি ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেক্ষেত্রে পুলিশ নিয়ম মেনে আইনগত পদক্ষেপ করবে।







