নিজস্ব সংবাদদাতা : যদি কোনো ব্যক্তি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তখন তার মস্তিষ্কের কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। আর তখনই সেই ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। সাধারণত বাড়িতে থাকা স্টোকে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। তবে চীনা গবেষকদের মতে, কিছু টোটকা চিকিত্সা জানা থাকলে রোগীর মৃত্যু কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এমনকি প্যারালাইসিস হওয়ার আশঙ্কাও কমিয়ে আনা যায়। চীনা গবেষকদের মতে স্ট্রোক হলে যা যা করণীয়-
১.প্রথমে সুচটিকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য কয়েক সেকেন্ডের জন্য তাকে আগুনে গরম করে নিতে হবে । তারপর এটি দিয়ে রোগীর হাতের ১০টি আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ছোট ক্ষত করতে হবে। এমনভাবে ক্ষত করতে হবে, যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়। শুধুমাত্র খেয়াল রাখতে হবে যাতে আঙ্গুল থেকে যেনো যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হয়। এরপর আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন কয়েক মিনিট অপেক্ষা করলে দেখা যাবে যে, রোগী ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।
২. আর যদি দেখা যায় আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয়ে যাচ্ছে তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করতে হবে। এমনভাবে ম্যাসেজ করতে হবে যাতে, ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায়। এর অর্থ হচ্ছে কানে নির্দিষ্ট পরিমাণে রক্ত পৌঁছেছে। তারপর কান থেকে দুফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটাতে হবে। এরপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করলে দেখা যাবে মুখ আর বিকৃত হচ্ছেনা। যদি অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায় , তখন রোগীর মোটামুটি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ঐ ব্যক্তিকে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। স্টোকে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে এই রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে চিকিত্সার অন্যতম অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।







