গাড়ির মধ্যে সোনার গহনা ও দামী ফোন রেখে ঠাকুর দেখতে চলে যান এক মহিলা। আর সেই সুযোগে রীতিমতো গাড়ির কাঁচ ভেঙে চুরি হয়ে যায় সোনার গহনা ও দামী ফোন। কিন্তু চোরের কপাল খারাপ। পাশে থাকা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ তদন্ত করে মাত্র দুঘন্টা মধ্যে উদ্ধার করে চুরি যাওয়া জিনিসপত্রl
উল্লেখ্য চতুর্থীর দিন দুপুরবেলা প্রতিমা দর্শনে বেড়িয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা দেবলীনা বিশ্বাস ঝাঁ। টালিগঞ্জ শিবমন্দির পুজো মণ্ডপের ঠাকুর দেখতে যান। ভিআইপি গেটের সামনে গাড়ি পার্ক করেন সেই সময়। গাড়িতেই খুলে রেখে যান সাত লক্ষ টাকার গহনা ও দামী মোবাইল।
তড়িঘড়ি টালিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারেন, খোয়া যাওয়া গহনার মধ্যে ছিল এক জোড়া সোনার বালা, দু’জোড়া কানের দুল, দু’টি আংটি, একটি নেকলেস, একটি হার ও একটি লকেট এবং দামী ফোন। প্রথমে আশেপাশের লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর পাশেই থাকা সিসি টিভি ফুটেজ ঘেঁটে দেখা হয়।
সিসি টিভি ফুটেজ দেখে চক্ষু চরক গাছ পুলিশের। চোর বাবাজী এক্কেবারে কাঁচ ভেঙে গাড়ির ভিতর থেকে সোনার গহনা ও ফোন নিয়ে চম্পট দেয়। সিসি টিভি ফুটেজ ধরেই চোরের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। তদন্ত শুরুর দুঘন্টার মধ্যেই ওই এলাকা থেকেই উদ্ধার করা হয় চোর বাবাজীকে। ধৃতের নাম সুরজ মোল্লা।
পুরো ঘটনা নিয়ে লালবাজারের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ”ঘটনার তদন্তে নেমে আমরা গয়না-সহ চুরি যাওয়া সমস্ত জিনিস প্রায় 2 ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করে ফেলি । এটা কলকাতা পুলিশের সাফল্য । সারাদিন সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়াটাই আমাদের কাজ ।”







