বন্ধুদের সঙ্গে বাইকে চেপে চা খেতে গিয়ে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হল দুই যুবক। চা খেতে যাওয়ার নেশাই কাল হয়ে দাঁড়ালো তাদের কাছে। চা খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইঞ্জিনভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল বাইক আরোহী ও ইঞ্জিন ভ্যান চালকেরও। বর্তমানে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই দুই বাইক আরোহী চিকিৎসকদের অধীনে আছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ। ঘটনাস্থল, বনগাঁ থানার বনগাঁ বাগদা সড়কের কাকলেমারি ব্রিজ এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ভ্যান চালকের নাম তরণী সেন এবং তিনি গোপালনগর থানার চালকি এলাকার বাসিন্দা। অপরদিকে মৃত বাইক চালক অর্ক রায়, বয়স ২১ এবং তিনি বনগাঁ থানার গারাপোতার পাগলতলা এলাকার বাসিন্দা। এর পাশাপাশি গুরুতর আহত দুই যুবক মুস্তাকিন মন্ডল ও প্রসেনজিৎ মন্ডল তারাও ওই একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই বিকট শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠে রাস্তায় এসে তারা দেখেন কয়েকজন রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। এরপর পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখানে চিকিৎসকেরা ওই দুজন যুবককে নিষ্প্রাণ বলে ঘোষণা করেন। ইঞ্জিন ভ্যান চালকের পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, তরণী বাগদায় একটি মেলায় দোকান দিয়েছিল। সেখান থেকেই রাতে মেলা শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তার পেছনে তার আরো দুজন সহকর্মী অন্য ইঞ্জিন ভ্যানে আসছিলেন।
সহকর্মী বিষ্ণুদাস বলেন, “দাদা কাকলিমারী ব্রিজ এলাকায় ইঞ্জিনভ্যান নিয়ে রাস্তার বাঁদিকে দাঁড়িয়েছিল। বাইকটি বনগাঁর দিক থেকে এসে সজোরে তাঁর ইঞ্জিনভ্যানে ধাক্কা মারে। বাইকে ছিল তিন যুবক। বেপরোয়া গতিতে এসে বাইকটি ধাক্কা মারায় ভ্যান থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে তরণী ও বাইকে থাকা তিন যুবক।” খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনগাঁ থানার পুলিশ।
এর পাশাপাশি আহত এক যুবক জানিয়েছেন, তারা গোপালনগর চালকী এলাকায় একটি দোকানে চা খেতে এসেছিলেন এবং সেখান থেকে চা খেয়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন।







