রাজনীতি

রাত পোহালেই ষষ্ঠ দফার লোকসভা নির্বাচনে, ঝাড়গ্রাম জেলায় চলছে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি

রাত পোহালেই ষষ্ঠ দফার লোকসভা নির্বাচন। ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৩ জন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ১৩ জন প্রার্থী, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কালিপদ সরেন, বিজেপির ডাক্তার প্রনত টুডু , সিপিএম দলের সোনামণি টুডু। তাই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।ঝাড়গ্রাম লোকসভার সাত টি বিধানসভা কেন্দ্র হল ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ও গড়বেতা এবং পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান। এই সাত টি বিধানসভা নিয়ে গঠিত ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্র। মোট ভোটার ১৭ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩৩৭ জন, তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ১২ জন, মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৩৫ জন ,তৃতীয় লিঙ্গ ২০ জন। মোট ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ২০১৮টি। ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভার জন্য ১৩৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। তবে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম লোকসভার সাত টি বিধানসভার প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল ঝাড়গ্রাম।লোকসভা আসনে নির্বাচন। আজ ২৪ তারিখ সকাল সকাল বিভিন্ন জায়গার ডিসিআরসি সেন্টার গুলিতে ভোট কর্মীদের ভিড় রয়েছে এখান থেকে তারা নির্দিষ্ট পোলিং স্টেশনে পৌঁছে যাবে। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে DC কেন্দ্র ইভিএম বিতরণের কাজ। ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা রয়েছে যে কারণেই সাতটি বিধানসভায় সাতটি ডিসিআরসি সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। শুক্রবার ভোট কেন্দ্রগুলিতে পৌঁছে গিয়েছে ভোট কর্মীরা, শনিবার সকাল সাতটা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ, চলবে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত। তবে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কায় জেলা শাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। প্রতিটি বুথে আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে, বুথের সামনে জল জমে গেলে দ্রুততার সঙ্গে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে এবং ত্রিপলের ব্যবস্থা রাখতে হবে । ঝড় বৃষ্টির হলে যাতে ভোটার দের কোন অসুবিধার মধ্যে পড়তে না হয় সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগাম গ্রহন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য সচিব প্রতিটি জেলার জেলা শাসকের নির্দেশ দিয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.