রাজনীতি

সাত সকালে মাছ ধরতে বসিরহাটে দিলীপ ঘোষ,দলকে বার্তা দিতেই কি ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’ পোস্ট তাঁর?

চব্বিশের নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই নাম না করে দলের একাংশ নেতৃত্বর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘বোমা’ ফাটাচ্ছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

‘কাঠিবাজি’র অভিযোগ দিয়ে শুরু করেছিলেন। শুক্রবার প্রশ্ন তুলেছিলেন, উনিশের লোকসভার চেয়েও ফল খারাপ হল কী করে?

প্রধানমন্ত্রীর এতবার আসার পরও কেন উনিশের চেয়ে কমে গেল বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের হার?

শনির সকালে তাঁর ফেসবুক পোস্টে দাপুটে নেতা দিলীপ লিখলেন, ‘ওল্ড ইজ গোল্ড!’

মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ জারি রেখেছেন বাক্যবাণের পাশাপাশি জনসংযোগও । শনিবার সাত সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের স্বরূপনগরেদেখা গেল তাঁকে। গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গুনরাজপুর গ্রামের পুকুরে ছিপে মাছও ধরলেন তিনি। বরশিতে গেঁথেছিল চিংড়ি। বরশি থেকে মাছ ছাড়াতে ছাড়াতেই ঘোষবাবু বললেন, “আবার জেলায় জেলায় যাব। সকলের সঙ্গে দেখা করব।”

ফেসবুকের পোস্ট কি দলকে উদ্দেশ্য করেই? কথা ‘ফিল্টার’ করতে অনভ্যস্ত দিলীপ বললেন, “যখন পার্টির বিপর্যয় হয়, তখন পিছনের দিকে তাকাতে হয়, পুরনো কর্মীদের চাঙ্গা করতে। যারা বিজেপিকে জিতিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে নিতে হয়। সেটা ভুলে গেলে তো দলের বিপর্যয় হবেই।”

বেশ জোরের সঙ্গেই বললেন, “খামতি তো অবশ্যই আছে। কেন হল, সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।”

বিজেপির অভ্যন্তরে নবীন প্রবীণের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। শুক্রবার ওই প্রসঙ্গ উস্কে মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ বলেছিলেন, “আমি চিরদিন কর্মীদের সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু পার্টির প্রোগ্রামে আমি ৪ বছর ধরে যাই না। আমাকে ডাকেও না। আমার মতামতও নেয় না।” কেন তাঁকে ব্রাত্য করে রাখা হয়েছে, তার পর্যালোচনা হওয়া উচিত বলেও জানিয়েছিলেন।

এবার ফেসবুকেও সেই বার্তাই দিলেন তিনি, ৪ জুন ফল প্রকাশের আগে পর্যন্ত যার ডিকশনারিতে ছিল না ‘হার’ শব্দটা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.