‘রাজ্য সরকার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর ভাইপো, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে। অথচ অনুব্রত মণ্ডলকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না? সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে অনুব্রতকে তুলে নিয়ে যাওয়া উচিত।’ উবাচ দিলীপের।
ঘটনা কী? আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের পক্ষ থেকে জেল কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখে জানানো হয়, কলকাতা উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী ইডিকেই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে। কলকাতায় কীভাবে বিচারাধীন বন্দিকে তাদের হস্তান্তর করতে হবে, তার সাফ কোনও তথ্য পুলিসের হাতে আসেনি।
জেল কর্তৃপক্ষকে কেন্দ্রীয় তদন্তবাহিনী জানায়, সায়গল হোসেনকে যেভাবে পুলিস এসকর্ট করে নয়াদিল্লিতে পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছিল, সেভাবে কেষ্টকেও পাঠানো হোক। ইডি–পুলিসের মধ্যে এই তরজায় আদালতের নির্দেশ কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পূর্বে অনুব্রতহীন এলাকায় কীভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে এর মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। দোরগোড়ায় নির্বাচন। সরগরম রাজনীতি।







