প্রায় দু’মাস ধরে বাংলাদেশে চলতে থাকা উত্তপ্ত আন্দোলনের জেরে ট্রাভেল ও হোটেল ব্যবসার মন্দা চুড়ান্তে। একের পর এক বাসের বুকিং বাতিল করতে হয়েছে। হাসিনার পদত্যাগের পর ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তগুলোও সিল্ড। বাতিল হয়েছে ফ্লাইট। নিউ মার্কেট এলাকায় হোটেল ও টুর-ট্রাভেল ব্যবসায়ীদের চিন্তার রেখা আরও গভীর। বাস ও উড়ানের অগ্রিম টিকিটের টাকা চেয়ে একের পর এক ফোন আসছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর কাছে।
অগ্নিগর্ভ দেশ! পুলিস-জনতা সংঘর্ষ, হাজার হাজার মৃত্যু। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশগামী সমস্ত বিমান বাতিল করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। তবে যে সকল যাত্রী বুকিং করেছিলেন তাঁদের টিকিট বাতিলের ফি দেওয়া হবে, তেমনই জানিয়েছে বিমান সংস্থা।
উল্লেখ্য, সারা বছরই বাংলাদেশ থেকে প্রচুর নাগরিক ভারতে আসেন। অধিকাংশই আসেন চিকিৎসা করাতে। বাকি ব্যবসায় সংক্রান্ত কাজে ও ভ্রমণের জন্য। তাঁরা এদেশে এলে তাঁদের বাসভবন হয়ে ওঠে এলাকার সদর স্ট্রিট, মারকুইস স্ট্রিট। এবার হঠাৎই হাসিনা সরকারের পদত্যাগ ভালরকম প্রভাব ফেলেছে এর ওপর।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আজ থেকে বাংলাদেশে খুলেছে স্কুল-কলেজ, অফিস। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর কড়া সতর্কতা। বেড়েছে জওয়ানের সংখ্যা। দু-দেশের বাণিজ্য কার্যতই স্থগিত।







