শাসক প্রদত্ত পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়ে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। নাট্যব্যক্তিত্ব থেকে শিক্ষাবিদ— এই তালিকায় প্রতিদিন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক দিবসে প্রথমবার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী ও নাট্যব্যক্তিত্ব ব্রাত্য বসু।
পুরস্কার প্রত্যাখ্যান নিয়ে ব্রাত্য বলেন, “নাট্য নির্দেশকের পুরস্কার ত্যাগকারীদের আমি স্বাগত জানাই। তাঁদের অধিকার আছে। তবে যিনি পুরস্কার ত্যাগ করেছেন, তিনি একসময় বামফ্রন্টের প্রার্থী ছিলেন। তবুও তাঁকে নাট্য অ্যাকাডেমি পুরস্কৃত করেছে।” পুরস্কার প্রত্যাখ্যানকে তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রেও এমন প্রতিবাদ দেখতে চান বলেও ইঙ্গিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী নিজের ভূমিকাও স্পষ্ট করেন। “আমি প্রশাসনের অংশ, তাই নিজেই নিজের দিকে আঙুল তোলা সম্ভব নয়। তবে যে আন্দোলন চলছে, তাতে আমারও স্বর আছে,” বলেন তিনি।
প্রথমে আলিপুরদুয়ারের শিক্ষক পরিমল দে ‘বঙ্গরত্ন’ পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন। এরপর নাট্যব্যক্তিত্ব চন্দন সেন ‘দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার’ প্রত্যাখ্যান করেন। নাট্য নির্দেশক বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সঞ্জিতা মুখোপাধ্যায়ও পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রেও অভ্র ঘোষ ও আশীষ লাহিড়ী ‘বিদ্যাসাগর পুরস্কার’ ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের এই প্রতীকী প্রতিবাদ আরজি কর-কাণ্ডের আন্দোলনকে আরও জোরালো করছে।







