দুর্গা পুজোয় মেতে উঠেছিলো গোটা রাজ্য। পুজো শেষ হতে না হতেই এমন কান্ড। কৃষ্ণনগরের এক দুর্গাপুজোর মণ্ডপ থেকে উদ্ধার হলো এক যুবতীর বিবস্ত্র-পোড়া দেহ। বুধবার সকালে ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর কোতয়ালি থানার পুলিস। ঘটনাটি ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।
মহিলা পরিচালিত একটি পুজো হয় কৃষ্ণনগরের রামকৃষ্ণ পাড়ায়। দেবীর বিসর্জনের শেষে যথারীতি ফাঁকা পড়েছিল মণ্ডপ। আর সেখান থেকেই উদ্ধার হল বছর আঠারোর তরুণীর নগ্ন দেহ। তার মুখ আ্যাসিড বা অন্যকিছু দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করা হচ্ছে মৃতের পরিচয় লুকোনোর জন্য করা হয়েছিলো এরকমটা।
দেহ অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ার জন্য মহিলার পরিচয় জানতে অসুবিধায় পড়েছেন পুলিশ কর্তৃপক্ষ। পুলিস ওই লাশের ছবি বিভিন্ন থানায় পাঠিয়েছে। ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয় এক মহিলা জানান “সকালে দেখলাম একটি মেয়ে মণ্ডপে পড়ে রয়েছে। এলাকার মেয়ে নয় বলেই মনে হচ্ছে”।
ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “খুনি রাজ্যে অতীতেও ছিল। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস আজ পশ্চিমবঙ্গকে যে পরিস্থিতিতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে তাতে একটি দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এক তরুণীকে অ্যাসিডে পুড়িয়ে ফেলে রেখে যাওয়া হচ্ছে। এটাকে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করলে চলবে না। পাঁচালায় পুজো মণ্ডপ ধংস করে দেওয়া হয়েছে। দুষ্কৃতীরা মনে করছে তাদের কিছু হবে না।”
পুলিসের সন্ধানে উঠে আসে মৃত তরুণীর পরিচয়। তাঁর বাড়ি কৃষ্ণনগরে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। প্রেমিকের সঙ্গে বেরিয়েছিল সে।







