তৃণমূল আর জাতীয় দল নয়। সোমবার এই ঘোষণাই করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছে তৃণমূল। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভাল, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী জাতীয় দল হতে গেলে তিনটি শর্তের অন্তত একটি পূরণ করতে হয়।
•লোকসভায় অন্তত চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেতে হবে।
•লোকসভায় ৩টি রাজ্য থেকে অন্তত ১১টি আসন জিততে হবে এবং আগের জেতা আসনের অন্তত চারটি পুনরায় জিততে হবে।
•অন্তত চারটি রাজ্যে ‘রাজ্য দলের’ তকমা পেতে হবে।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় দল হিসেবে তৃণমূলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের ফল দেখে এই মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। সে বছর ৫টি রাজ্যে ৬ শতাংশেরও অধিক ভোট পায় এই দল। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও মণিপুর, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড ও অসমে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। পশ্চিমবঙ্গে ৪২ টি আসনের মধ্যে ৩৪ টি গিয়েছিল তৃণমূলের ঝুলিতে।
সৌগত রায় গতকাল দাবি করেন, ‘উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই কাজ করছে কমিশন।’ ইস্যুতে সরব বিরোধীরাও। সরগরম রাজনীতি।







