রাজস্থানের সিকার জেলার খাতু নামক মনোরম গ্রামে অবস্থিত খাটু শ্যাম জি মন্দির , ভক্তি, অলৌকিক ঘটনা এবং প্রাচীন কিংবদন্তিতে পরিপূর্ণ একটি মন্দির। দেশজুড়ে তীর্থযাত্রীরা এই পবিত্র মন্দিরে ভিড় জমান, যা বর্বরিকের নিঃস্বার্থ ত্যাগ উদযাপন করে , একজন যোদ্ধা যার অতুলনীয় সাহস এবং নিষ্ঠা তাকে শ্যাম বাবাতে রূপান্তরিত করেছিল , “কলিযুগের কৃষ্ণ” নামে পরিচিত একজন প্রিয় দেবতা। ধর্মীয় তাৎপর্যের বাইরেও, খাটু শ্যাম জি মন্দির এমন একটি স্থান যেখানে রহস্যময় গল্পগুলি জীবন্ত হয়ে ওঠে, বিশ্বাসের কোনও সীমানা থাকে না এবং প্রতিটি দর্শনার্থী আশীর্বাদে ভরা হৃদয় নিয়ে বাড়িতে আসে।
সম্প্রতি, মন্দিরের ভিতরে খাটু শ্যাম ও হনুমানজির প্রতিমা স্থাপন করার জন্য খননকাজ চলছিল। ঠিক তখনই, মাটির তলায় কোনও কিছুতে আঘাত লেগে একটা শব্দ হয়।
দেখা যায় একটি ছোট পিতলের বাক্স! কী আছে তাতে? খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সকলের! এ কী কাণ্ড? এমনও হয়? স্বপ্ন নয় তো? লখিমপুরের সিঙ্গাহি খুর্দ এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।
বাক্সটি খোলার পর দেখা যায়, এর ভিতরে রাম দরবার, হনুমানজি ও অন্যান্য দেবদেবীর পিতলের মূর্তি রয়েছে। সেই সঙ্গে পাওয়া যায় বেশ কিছু পুরনো মুদ্রা। আরও কী মিলল জানেন?
বাক্স থেকে ত্রিশূল, লক্ষ্মী, গণেশ, দুর্গার মূর্তি, রূপার বালাজির মূর্তি, পাঁচটি গদা, পাঁচটি শালগ্রাম শিলা, এবং ১৯২০ ও ১৯৪০ সালের নয়টি পুরনো মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।
পড়তেই মন্দিরে মানুষের ঢল নামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশ এসে পাওয়া মুদ্রা ও দেবমূর্তিগুলি মন্দিরেই রেখে দেয় এবং পুরোহিতের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণ করে।
মন্দিরের পুরোহিত সর্বেশ মিশ্র জানান, উদ্ধার হওয়া প্রতিমা ও মুদ্রাগুলি অত্যন্ত পুরনো বলে মনে হচ্ছে।ই ঘটনা নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে, এবং উৎসুক ভক্তদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।







