উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট থানার সংগ্রামপুর শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম পাড়ার ঘটনা। গত মাসের মার্চ মাসের ১ তারিখে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরতে দেরি করায় মায়ের কাছে বকুনি শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল বসিরহাট হরিমহন দালাল গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী নাফিসা সুলতানা, বয়স ১৪ বছর। তারপর একাধিক জায়গায় ফোন ও খোঁজাখুঁজি করার পর সেই রাত্রে আর তার খোঁজ পাওয়া যায় না। পরের দিন সকাল থেকে শুরু হয় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজখবর। তাতেও তার সন্ধান না মেলায় তার পরিবারের বাবা মা ২রা মার্চ সন্ধ্যার পর দারস্ত হয় বসিরহাট থানায়। সেখানে লিখিত অভিযোগ করে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গত এক মাস ধরে বসিরহাট পুলিশ জেলার বিভিন্ন থানায় এলাকায় তার ছবি পোস্ট করে খোঁজ চালাচ্ছিল। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল থানায় ডেকে।
মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ বাদুড়িয়া থানার বাজিতপুর ইছামতি নদীর ফেরিঘাট সংলগ্ন স্থানে মৃতদেহ ভাসতে দেখে নৌকার যাত্রী থেকে মাঝি মোল্লারা। খবর দিলে পুলিশ আসলে জানতে পারে গত এক মাস ধরে বসিরহাট থানার পশ্চিমপাড়া এলাকায় নবম শ্রেণীর ছাত্রী নিখোঁজ ছিল নাফিসা সুলতানা। একদিকে পুলিশকে খবর দেয় অন্যদিকে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের কে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মেয়েকে সনাক্ত করে। এই সেই নিখোঁজ ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পুলিশ মরগে পাঠানো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে বাবা-মার বকুনিতে আত্মহত্যা না কেউ আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়েছিল সেটাও তদন্তকারীরা দেখে নিতে চাইছে। ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে পড়েছে।







