সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে আজারবাইজান। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পরিপ্রেক্ষিতে আজারবাইজান বেসামরিক প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে, নিহতদের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে। এই বিবৃতি শুধু মানবিক উদ্বেগ নয়, বরং ভারতের প্রতি তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি পরিষ্কার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আজারবাইজান ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সামরিক সহযোগিতা, ধর্মীয় ঘনিষ্ঠতা এবং তুরস্কের কৌশলগত প্রভাব এই সমর্থনের পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে তুরস্ক, যেটি দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র, তারা আজারবাইজানের নীতিগত অবস্থানে একটি বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এই ঘাঁটিগুলির মধ্যে জৈশ-ই-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-তৈয়বা ও হিজবুল মুজাহিদিনের মত সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ আস্তানা ছিল। ভারতের সেনা অভিযান অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ছিল, যাতে বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি— যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
আজারবাইজানের অবস্থান ভারতের জন্য এক নতুন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যখন ভারত আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে।







