প্রায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে থাকার পরেও নিশ্চিন্ত আশ্রয় ছেড়ে পালিয়ে গেল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন দাউদ ইব্রাহিম। ১২ মার্চ, ১৯৯৩ মুম্বইয়ে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটানোর পর আর খুঁজে পাওয়া যায়নি দাউদ-কে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক চাপে ইসলামাবাদ স্বীকার করে নেয় যে দাউদ তার পরিবার সহ করাচিতে থাকে। ভারত-পাকের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনায় ও এয়ার স্ট্রাইকের জেরে পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়েছে দাউদ ইব্রাহিম। এমনকি দাউদের ছায়া সঙ্গী ছোটা শাকিলও লুকিয়ে পড়েছে ইতিমধ্যে।
১৯৫৫-তে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলার মামকা গ্রামে পুলিশের হেড কনস্টেবল-এর বাড়িতে জন্ম হয় দাউদের। কিন্তু উল্টোপথে হেঁটে পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে হয়ে ওঠে দেশের সবচেয়ে বড়ো ডন। দেশে একাধিক দুষ্কৃতিমূলক কার্যকলাপ ঘটিয়ে পাকিস্তানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যায় দাউদ। ২০২৩ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে করাচি হাসপাতালে দাউদ ভর্তি হলে নিরাপত্তার খাতিরে লাহৌর, করাচি, ইসলামাবাদের মতো শহরে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়। এমনকি পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ইন্টরনেটের সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ায় এক্স হ্যান্ডল, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম কিছুই কাজ করছিল না। এতটাই নিরাপদে দাউদ ছিল যে বিগত কয়েক বছরে দাউদের কোনো ছবি সমাজ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। বহু বছর আগে শারজার স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে যেতে ক্যামেরাবন্দি করা গিয়েছিল তাকে। কিন্তু তারপর আর কোনো ছবি পাওয়া যায়নি তার।







