হাওড়া স্টেশন, ভারতের ব্যস্ততম স্টেশনগুলোর একটি, প্রতিদিন লক্ষাধিক যাত্রী যাতায়াত করেন। এই স্টেশন চত্বরেই বেআইনি হোটেল ও লজের আধিক্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেতা উমেশ রায় ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এই হোটেলগুলোতে সরকারি নজরদারির অভাব থাকায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা দুষ্কৃতীদের জন্য আশ্রয়ের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি গোলাবাড়ি থানার পুলিশ দুই বাংলাদেশিকে এই চত্বর থেকে আটক করে। বড়বাজারে একটি বেআইনি লজে আগুন লাগার ঘটনা এবং বহু মানুষের মৃত্যু প্রশাসনকে নাড়া দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হাওড়া কর্পোরেশনের তরফে শুরু হয়েছে অভিযান। গতকাল প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য রিয়াজ আহমেদ হোটেলগুলিতে পরিদর্শনে যান ও খতিয়ে দেখেন অধিকাংশ হোটেল ও লজের বৈধ নথিপত্র নেই।
চোখে পড়ে, আবাসনের মধ্যেই তৈরি হয়েছে এসব লজ, যেখানে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও নিয়ম মানা হচ্ছে না। বিপদের আশঙ্কায় রয়েছেন আবাসনের বাসিন্দারা। প্রশাসন হোটেল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কাগজপত্র বৈধ করার, অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
পাশাপাশি, বিদেশি বা সন্দেহজনক ব্যক্তি ভাড়াটে হলে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করার নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে। হাওড়া কর্পোরেশন জানিয়েছে, এইসব বেআইনি হোটেলকে আইনের আওতায় আনতেই তারা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে হাওড়া স্টেশন চত্বরে কোনো দুষ্কৃতী নিরাপদ আশ্রয় না পায়।







