গতকাল বুধবার (১৪ মে) ভারতের সঙ্গে হটলাইনে আলোচনার পর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ১৮ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত ও পাকিস্তান। এই সিদ্ধান্তের কথা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ডিজিএমও মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ এবং ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাইয়ের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। এর আগে ১০ ও ১২ মে—দুই ধাপে আলোচনা করে ধাপে ধাপে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির আগে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। রুবিও জানান, ভারত যুদ্ধবিরতিতে রাজি। তখন পাকিস্তানও যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে পাকিস্তান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চাপ ছিল না এবং ইসলামাবাদ যুদ্ধ শুরু করেনি বলেই দাবি করেছে।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির সূত্রপাত ঘটে ২২ এপ্রিল, যখন পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলায় ২৬ ভারতীয় পর্যটক নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় সেনা ৭ মে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) জঙ্গিঘাঁটিতে আঘাত হানে। এই অভিযানে ৯টি ঘাঁটি ধ্বংস হয় এবং শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়। পাল্টা হামলায় পাকিস্তানও ‘অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস’ চালায়, কিন্তু শেষপর্যন্ত ৮৭ ঘণ্টার সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় দুই দেশ।
বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত, তবে নজর রাখা হচ্ছে সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর। ১৮ মে’র পর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতির ওপর।







