মেদিনীপুর সিটি কলেজের স্নাতকোত্তর প্রথম বর্ষের ছাত্রী স্নেহা আদকের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মহত্যার সম্ভাবনা দেখলেও, এই মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বাসিন্দা স্নেহা সাধারণত প্রতি শুক্রবার ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু গত শুক্রবার কেরানীচটি এলাকার মেসে থেকে যান। রাতেই মেসবাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়, কারণ স্নেহার বাবার ফোনে সাড়া না মেলায় তিনি মালিককে ফোন করেন। মালিক ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে স্নেহার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি।
পুলিশের প্রশ্ন, যখন মেসে আরও পাঁচজন ছাত্রী ছিলেন, তখন কেউ কিছু টের পেলেন না কেন? র্যাগিং, প্রেমঘটিত টানাপোড়েন, নাকি অন্য কোনও কারণ—সব কিছুই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সহপাঠীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, স্নেহা প্রেমে আঘাত পেয়েছিলেন, যা হয়তো তাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ক্লাসে ও ক্যান্টিনে স্বাভাবিক ছিলেন স্নেহা। এমন আচরণহীন মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার ও বন্ধুরা। বাবার দাবি, মেয়ে ছিল অত্যন্ত মেধাবী, আত্মহত্যার কারণ কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না।
ময়নাতদন্ত ও মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট আসার পরই হয়তো এই রহস্যের জট খুলবে। তদন্ত চলছে।







