রাজনৈতিক মঞ্চে বেফাঁস মন্তব্যের লাগাম টানার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর বিজেপির একাধিক নেতা-মন্ত্রীর অবিবেচক মন্তব্য সংবাদ শিরোনামে উঠে আসায় অস্বস্তিতে পড়েছে পদ্মশিবির। রবিবার এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে মোদী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “যে কোনও জায়গাতেই যে কোনও বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না।”
দলের অন্দরের খবর, এই সমস্ত ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শুধু নন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বও বেশ বিরক্ত। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই ‘মুখ বন্ধ’ করার পরামর্শকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি, রাজ্যসভার সাংসদ রামচন্দ্র জাংরা পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার সময় উপস্থিত মহিলা পর্যটকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন, “পহেলগাঁওয়ে মহিলা পর্যটকদের লড়াই করা উচিত ছিল। আমার বিশ্বাস তাঁরা যদি জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করতেন, তবে হতাহতের সংখ্যা কম হত।”
এর আগে মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী বিজয় শাহ ভারতীয় সেনা অফিসার কর্নেল সোফিয়া কুরেশির উদ্দেশে কুমন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তিনি সোফিয়াকে ‘সন্ত্রাসবাদীদের বোন’ বলে বিতর্ক তৈরি করেন। বিতর্কের মুখে পড়ে তিনি ক্ষমা চাইলেও, সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো কর্নেল সোফিয়া প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য খতিয়ে দেখতে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে। এমন একাধিক ঘটনা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।







