সকাল হতেই গানের তালে তালে ঢাক-ঢোল ও করতালের আওয়াজে মুখর হয়ে উঠল কলকাতার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের অলিগলি। ঢোলের তালে তালে প্রসাদ বিতরণে নেতৃত্ব দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও স্থানীয় কাউন্সিলর আয়ন চক্রবর্তী। উৎসবের আবহে, এক ঝলক পুরীর রথযাত্রার গন্ধ যেন ছড়িয়ে পড়ল কলকাতার বুকেও।
একটি সুসজ্জিত ভ্যানে চড়ে বেরিয়ে পড়ে প্রসাদ বিতরণকারী দল। স্থানীয় মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাতে তুলে দেওয়া হয় জগন্নাথ ধামের পবিত্র প্রসাদ। মুখে মিষ্টি হাসি, হাতে প্রসাদ, আর কানে উৎসবের সুর – যেন কলকাতার একটুকরো পুরী হয়ে উঠল এই এলাকা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি ছিল, রাজ্যের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাবে জগন্নাথের আশীর্বাদ। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে, দুয়ারে রেশন প্রকল্পের মাধ্যমে চলছে প্রসাদ বিতরণ। তবে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর নির্ভর না করে, নিজেদের উদ্যোগে রেশন ডিলারের থেকে প্রসাদ সংগ্রহ করে মানুষের হাতে তা পৌঁছে দিচ্ছেন অনেক কাউন্সিলর।
এইভাবেই মানুষের সঙ্গে উৎসব ভাগ করে নেওয়ার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত গড়লেন আয়ন চক্রবর্তী ও কুণাল ঘোষ। ধর্ম আর রাজনীতির বাইরেও এক নির্মল মানবিক স্পর্শ – এই উদ্যোগ যেন ছুঁয়ে গেল বহু মানুষের হৃদয়।
এই ভাবেই জগন্নাথ ধামের আশীর্বাদ ছড়িয়ে পড়ছে বাংলার ঘরে ঘরে।







