ভাগীরথীর তোড়ে ফের বিপর্যয় শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর অঞ্চলে। নতুনগ্রাম এলাকায় নদীপাড়ে ভাঙন দেখা দিতেই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছান রানাঘাট মহকুমা শাসক ভরত সিং, শান্তিপুরের ভিডিও সন্দীপ ঘোষ, এবং শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী। সঙ্গে ছিলেন ইরিগেশন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররাও।
স্থানীয় সূত্রে খবর, নদীবাঁধে পার বাঁধানোর কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। তার আগেই জলের তোড়ে কালো বস্তা ও মাটি ভেঙে পড়ে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শুরু হয় সংস্কার কাজ।
এদিন এলাকা পরিদর্শনে এসে বিধায়ক স্পষ্ট জানান, “এটি প্রকৃত ভাঙন নয়, জলের তোড়ে সাময়িক ক্ষতি হয়েছে মাত্র। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বালির বস্তা ফেলা শুরু হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।”
একই সুর মহকুমা শাসক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের কণ্ঠেও। তাদের দাবি, নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানের দিশায় পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় তদারকি চলবে নিয়মিত।







