কর্মীদের অভিযোগ শোনার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বুধবার কলকাতার পুরনো দপ্তর মুরলীধর সেন লেনে আয়োজিত এই বৈঠকে শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত হয়ে নিজেদের সমস্যার কথা খোলাখুলি তুলে ধরেন। অভিযোগ উঠে আসে কমিটি থেকে পুরনো সদস্যদের সরিয়ে দেওয়া, কাজের সুযোগ না পাওয়া থেকে শুরু করে সল্টলেক নয়, পুরনো দপ্তরকেই ফের মূল কার্যালয় করার দাবি পর্যন্ত।
কর্মীদের বক্তব্য শুনে শমীক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং নোট নেন। উপস্থিত অনেকেই জানান, এর আগে কোনো রাজ্য সভাপতি এভাবে সরাসরি কর্মীদের সঙ্গে বসেননি। উত্তর কলকাতার রাজীব মিশ্র, রাজারহাট-গোপালপুরের শ্যামলকুমার মণ্ডল-সহ অনেকে শমীকের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। শমীকের সঙ্গে ছিলেন প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন চট্টোপাধ্যায়, তাপস চট্টোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান নেতারাও।
তবে বৈঠকের মাঝেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যখন দলের এক রাজ্য কমিটির পদাধিকারীকে ঘরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নাকি এসেছিলেন কর্মীরা সভাপতির কাছে কী কী অভিযোগ করছেন তা গোপনে শোনার জন্য। শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাইরে দাঁড়িয়েই থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে দলের অন্দরে নতুন করে গোষ্ঠীকোন্দলের জল্পনা ছড়িয়েছে।
বৈঠক শেষে শমীক বলেন, “এটা কোনো দরবার নয়। আমি শুধু কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চাই। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে।” যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, কর্মীদের আস্থা ফেরানোর চেষ্টা চললেও, বিজেপির ভেতরে গোষ্ঠী বিভাজন এখনও প্রকট।







