নিজস্ব সংবাদদাতা : আজ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন সিদ্দারামাইয়া । শনিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা সিদ্দারামাইয়া।
এর আগেও তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন । এবার এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। এবং একই দিনে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ডিকে শিবকুমারও বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা ফুটবল স্টেডিয়ামে কর্নাটকের রাজ্যপাল থাবরচন্দ গহলৌতের কাছে শপথ গ্রহন করলেন ।
সূত্রের খবর , কংগ্রেসের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হলেও কান্তিরাভায় যাননি তিনি । যদিও তৃণমূলের তরফে হাজির ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। উল্লেখ্য , বিজেপি বিরোধী নেতাদের অনেকেই হাজির ছিলেন কিন্তু বেঙ্গালুরুতে ২০১৮ সালে কুমারস্বামীর শপথের মতো ‘তারকা সমাবেশ’দেখা যায়নি । এই শপথ গ্রহনে মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের সহযোগী উদ্ধবের ঠাকরেও অনুপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে শপথে শিবসেনা প্রধান তাঁর প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলেন ।
এদিন সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের পাশাপাশি একাধিক পূর্ণমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন । তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের ছেলে প্রিয়ঙ্ক ছিলেন। বাল্মিকী জনগোষ্ঠীর নেতা সতীশ ঝারখিয়োলিও মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন।
এদিনের মন্ত্রিপদে শপথ নিয়েছেন পাঁচ বারের বিধায়ক তথা প্রভাবশালী লিঙ্গায়েত নেতা এমবি পাতিল, কেজে জর্জ, মনমোহন সিংহের জমানার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কেএইচ মুনিয়াপ্পা এবং দলের সংখ্যালঘু নেতা জামির আহমেদ খান । পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন প্রবীণ নেতা রামলিঙ্গ রেড্ডিও।কংগ্রেস সভাপতি খড়্গের পাশাপাশি, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা, কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা হাজির ছিলেন । কিন্তু শপথে হাজির ছিলেন না সনিয়া।
উল্লেখ্য এদিনের শপথ গ্রহনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
কংগ্রেসের সহযোগী দলগুলির মধ্যে এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম প্রধান হেমন্ত সোরেন,
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের ছেলে তথা নীতীশ মন্ত্রিসভার উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী, কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী— ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা এবং পিডিপির মেহবুবা মুফতি ছিলেন সিদ্দার , সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং সিপিআইয়ের ডি রাজা ।







