ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই এবার ঘরোয়া ক্রিকেটের মানোন্নয়নে এক বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে। মুম্বইয়ে বার্ষিক সাধারণ সভার পর বোর্ডের প্রতিনিধি হিসেবে হরভজন সিং জানিয়েছেন, যারা একটি মরশুমে বেশি সংখ্যক ম্যাচ খেলবেন, তাঁদের জন্য বাড়তি আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই প্রাক্তনরা বলে আসছিলেন, আন্তর্জাতিক দলে জায়গা করে নিতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেটই মূল মঞ্চ। এবার অর্থনৈতিক দিক থেকেও সেটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠল।
হরভজনের বক্তব্য অনুযায়ী, যদি কোনও ক্রিকেটার এক মরশুমে ১৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেন, তবে তিনি অতিরিক্ত ১ কোটি টাকা ম্যাচ ফি হিসেবে পাবেন। শুধু তাই নয়, ঘরোয়া টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছানো দুই দলকেও আলাদা করে অর্থ পুরস্কার দেবে বিসিসিআই। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তরুণদের মধ্যে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট খেলতে আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
‘টারবনেটর’ মনে করছেন, ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। অতীতে বহুবার দেখা গেছে, প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা অর্থনৈতিক চাপের কারণে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াতেন। এবার বোর্ডের এই পরিকল্পনা তাঁদের জন্য নতুন দিশা খুলে দিতে পারে। খেলোয়াড়রা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনই প্রতিযোগিতার মানও আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া হরভজন বিসিসিআইয়ের কাছে আরও একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বোর্ডকে আহ্বান জানিয়েছেন সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে আরও সক্রিয় হতে। বিশেষ করে উত্তর ভারতের বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবের বিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আগেই ১১টি নৌকা ও তিনটি অ্যাম্বুল্যান্স দান করেছিলেন প্রাক্তন তারকা। তাঁর মতে, মাঠের বাইরে থেকেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করাই বোর্ডের দায়িত্ব।







