২০২৬ সালের আইপিএল-এর আগে ক্ষুদ্র নিলামের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখ এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবারও দেশের মাটিতে নয়, নিলামের আসর বসতে চলেছে বিদেশের মাটিতে।জানা গিয়েছিল, এই বছর মুম্বইয়ে নিলাম হতে পারে। কিন্তু সেই জল্পনা খারিজ করে দিয়ে ‘ক্রিকবাজ়’ জানিয়েছে, নিলামের নতুন ঠিকানা হলো সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর (ইউএই) আবু ধাবি। ২০২৪ সালে নিলামের আয়োজন হয়েছিল দুবাইয়ে। আইপিএল-এর এই ক্ষুদ্র নিলামটি এক দিনেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর দুপুর ৩টের মধ্যে সমস্ত দলকে জানিয়ে দিতে হবে, তারা কোন কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখছে। এই ‘রিটেনশন তালিকা’ বিসিসিআই-এর কাছে পৌঁছানোর পর, বোর্ড নিলামে ওঠা খেলোয়াড়দের চূড়ান্ত তালিকা দলগুলোর কাছে পাঠাবে। সেই তালিকা দেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নিলামের জন্য নিজেদের কৌশল সাজাবে।
২০২৫ সালের আইপিএল শেষ হওয়ার পর থেকেই ‘ট্রেড উইন্ডো’ বা খেলোয়াড় অদল-বদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। এই প্রক্রিয়াটি নিলামের এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত চলবে। ছোট নিলামে যে ক্রিকেটারেরা দল পাবেন, তাঁদের আর দলবদল করার সুযোগ থাকবে না। তবে নিলামের পর এই উইন্ডো আবার খুলবে এবং পরের আইপিএল শুরুর এক মাস আগে পর্যন্ত খেলোয়াড় কেনা-বেচা চলবে।
ইতিমধ্যে বেশকিছু বড় খেলোয়াড়ের দলবদল চূড়ান্ত হয়েছে। সঞ্জু স্যামসন যাচ্ছেন চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে, যার বিনিময়ে রবীন্দ্র জাডেজা এবং স্যাম কারেন রাজস্থান রয়্যালসে ফিরতে পারেন। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শার্দূল ঠাকুর (লখনউ) এবং শারফেন রাদারফোর্ডকে (গুজরাট) নিয়েছে। লখনউ আবার অর্জুন তেন্ডুলকরকে (মুম্বই) দলে ভিড়িয়েছে। আগামী আইপিএল ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে-র মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তার আগে ১০টি দলই নিজেদের শ্রেষ্ঠ দল গোছানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।







