মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন ১২ পাতার অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র। ইতিমধ্যেই সেই ফর্ম ডাউনলোড করার সুবিধাও চালু হয়েছে। শুক্রবার থেকেই বহু মানুষ আবেদনপত্র পূরণ করার কাজে হাত দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে যদি কারও কোনও অসুবিধা হয় বা কোনও তথ্য বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে কী করবেন আবেদনকারীরা?
রাজ্য সরকারের অনুমোদিত প্রশাসনিক আধিকারিকরাই এই প্রকল্পের আবেদন যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন। নতুন আবেদনগুলি খতিয়ে দেখবেন বিডিও অফিস বা পুরসভার কর্তারা। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে ৩০ দিনের বাড়ি-বাড়ি সমীক্ষা ও যাচাই প্রক্রিয়াও চালানো হবে। ফলে ফর্ম পূরণে কোনও সমস্যা হলে আবেদনকারীরা সরাসরি বিডিও অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর ঘোষণা করা হয়নি।
আবেদনপত্রে কী কী তথ্য দিতে হবে?
ক)আবেদনকারীর নাম, পরিচয়পত্রের তথ্য ও আধার নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি কোড জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে রেশন কার্ড রয়েছে কি না, তাও জানাতে হবে।
খ)পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যবিমা সংক্রান্ত তথ্য থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের কে কোথায় চাকরি করেন, সেই তথ্যও দিতে হবে। এছাড়া পরিবারে চারচাকা গাড়ি রয়েছে কি না, আবেদনকারী পাকা বাড়িতে থাকেন কি না এবং থাকলে কতগুলি পাকা বাড়ি রয়েছে, সেই তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
গ) পরিবারের বার্ষিক আয়, অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান কি না, সেটাও জানাতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্রের জন্য আবেদন করা হয়েছে কি না এবং এসআইআর সংক্রান্ত ট্রাইবুনালে কোনও মামলা বিচারাধীন রয়েছে কি না, সেই তথ্যও আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে।







