নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গে ফের সরব তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিচারপতির চেয়ারে বসে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কুণাল-উবাচ, ‘বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। বিচারব্যবস্থা ঠিক আছে বলেই সমাজ দাঁড়িয়ে আছে। বিচারপতিরা নির্দেশ দিলে মানুষ মাথা পেতে নেয়। গোটা বিচারব্যবস্থাই ন্যায়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু কেউ যদি নিজেকে অরণ্যদেব ভেবে নেন, সেটা দুর্ভাগ্যজনক। সরকারের ভুল হলে নিশ্চয় বলবেন। কিন্তু তার জন্য একটা দল তুলে দিতে বলবেন! কেউ যদি বলেন আমার দল তুলে দেবেন, আমি কি তাঁকে রসগোল্লা খাওয়াব?’
উল্লেখ্য, দুর্নীতির জেরে উত্তাল বাংলা। শুক্রবার সকালে কলকাতা হাই কোর্টে হাজিরা দেন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন। সওয়ালপর্ব শেষে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘বিধানসভার দলনেতা মুখ্যমন্ত্রী আর লোকসভার দলনেতা প্রধানমন্ত্রী। আমি ইলেকশন কমিশনকে বলব তৃণমূলের লোগো প্রত্যাহার করার জন্য।’
প্রসঙ্গত, নিয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শূন্যপদে চাকরি বাতিল হওয়া অযোগ্যদের পুনর্বহালের আবেদন করে এসএসসি। যার জেরে অস্বস্তি বাড়ে রাজ্য সরকারের। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ফের এসএসসি-র কাছে হলফনামা তলব করেন যে কার নির্দেশে অযোগ্যদের পুনর্বহালের দাবি জানানো হচ্ছে! এসএসসি-র তরফ থেকে সাফ জানানো হয়, এই সুপারিশ তাদের নয়। প্রশ্ন ওঠে, যদি এসএসসি এই সুপারিশ না করে থাকে, তাহলে এসবের পেছনে কে রয়েছেন? সেই কৈফিয়ত তলব করে মণীশ জৈনকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।







