ভালোবাসার জন্য মানুষ কি না করতে পারে এর প্রমাণ আগেও বহু ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে। ভালোবাসায় থাকলে আকাশের চাঁদ এনে দেওয়ার মতো আশ্বাস দিতেও শোনা যায়। এইবার এমনই এক ভালোবাসার নজির গড়লেন মধ্য প্রদেশের স্কুল শিক্ষক আনন্দ প্রসাদ চৌসকি।
শাহাজাহান তাঁর স্ত্রী মুমতাজের মৃত্যুর পর স্ত্রীর কবরের উপর ভালোবাসার নিদর্শন বিশ্ববাসীকে দেখাতে তাজমহল তৈরি করেন। আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে সাদা মার্বেল পাথরের তৈরি তাজমহল পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি। বর্তমানে তাজমহল দুই জায়গায় রয়েছে। কি শুনে অবাক হচ্ছেন তো? তাজমহল এর রেপ্লিকা বাড়ি তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রদেশে। বাড়িটি তৈরি করিয়েছেন আনন্দ প্রসাদ চৌসকি যিনি মধ্য প্রদেশের এক স্কুল শিক্ষক। আনন্দবাবু এই বাড়িটি তৈরি করেছেন তার স্ত্রী মঞ্জুষা’র জন্য, তিনিও একজন স্কুল শিক্ষিকা। আসল তাজমহল তৈরীতে সময় লেগেছিল ২২ বছর, কিন্তু চার বেডরুম সহ এই বাড়িটি তৈরী করতে সময় লাগে মাত্র ৩ বছর। বাড়িটি আকৃতিতে তাজমহলের এক তৃতীয়াংশ। তবে তাজমহলের মতো চূড়াটি ২৯ ফুট লম্বা ও মাকরানা মার্বেলের তৈরী।
তিনি বাড়ির চূড়ায় জাতীয় পতাকা লাগাতে চেয়েছেন। বাড়ির চারধারে চারটি মিনারে ভিন্ন জাতির প্রতীকী চিহ্ন লাগাবেন বলে ভেবেছেন যা একতা ও শান্তির প্রতীক। তার বক্তব্য,” চারিদিকে শুধু হিংসে, বিদ্বেষ। তাজমহল একটি ভালোবাসার প্রতীক। ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য।” তার এই ভাবনা চিন্তাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অনেকেই।







