দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে শুভেন্দু অধিকারীর সভার রেশ কাটতে না-কাটতেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন। মঙ্গলবার একই মাঠে তৃণমূলের সভা শুরুর আগে একসঙ্গে ন’জন বিজেপি নেতা—যাঁদের মধ্যে মণ্ডল সভাপতি জয়ন্ত প্রামাণিকও রয়েছেন—ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন।
তৃণমূলের সভার আগে মাঠে গঙ্গাজল ছিটিয়ে “শুদ্ধিকরণ” করে স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, “শুভেন্দুর সভার পর মাঠ অপবিত্র হয়েছিল, তাই গঙ্গাজল ছড়ানো হয়েছে।” সোমবার মন্দিরতলার গোষ্ঠতলা মাঠে শুভেন্দুর তীব্র আক্রমণাত্মক মন্তব্যের পরদিনই এই দৃশ্য নজর কাড়ে সকলের।
মঙ্গলবারের সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র সুদীপ রাহা, মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলী মৈত্র, মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার-সহ জেলার শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে সাংসদ বাপি হালদার বলেন,
“শুভেন্দু আমাকে এবং আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যে অপপ্রচার করেছেন, তার কড়া জবাব দিয়েছেন তাঁরই দলের পঞ্চায়েত সদস্যরা। তাই এই যোগদান।”
যোগদানকারী মণ্ডল সভাপতি জয়ন্ত প্রামাণিকের বক্তব্য,
“আমরা বিজেপিতে ছিলাম। কিন্তু সাংসদের উন্নয়ন নিয়ে সংসদে আওয়াজ তোলার পরও বিজেপির তরফে কুৎসা রটানো হচ্ছে। তার প্রতিবাদেই আজ তৃণমূলে।”
শুভেন্দুর জমায়েতের পর দিনেই এমন পালটা শক্তি প্রদর্শন ও “শুদ্ধিকরণ” নাটকীয়তা ঘিরে মন্দিরবাজারের রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও চড়ে গেল।







