সোমবার রাজধানী দিল্লিকে কেন্দ্র করে একযোগে রাজপথ ও সংসদের ভিতরে রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে দিল্লির রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যদিকে লোকসভায় শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে কেন্দ্রকে চাপে ফেলতেই ‘ইনসাইড-আউটসাইড’ কৌশলে নামল শাসক দল।
সোমবার সকালে হঠাৎ করেই দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবনের চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই খবর পেতেই রাজপথে নেমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুর চড়িয়েছেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। ঠিক তখনই শুরু হয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। লোকসভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ ও ধিক্কার স্লোগান দিতে শুরু করেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছাকাছি অবস্থান থেকেই তাঁর এই প্রতিবাদ ঘিরে সৃষ্টি হয় তীব্র উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। তাঁর অনুরোধে কিছুক্ষণের মধ্যেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের আসনে ফিরে গেলে উত্তেজনা বজায় থাকে। পরবর্তীতে সংসদে বক্তব্য শুরু করেন রাহুল গান্ধী।
এই প্রসঙ্গে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘সকাল থেকে দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কে কে এসেছে দেখা হচ্ছে। এটা করার কোনও অধিকার ওদের নেই। এটা আমাদের জায়গা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, এ সব করবেন না। আমাদের মাসল পাওয়ার দেখাবেন না। আপনি যদি এভাবে ব্ল্যাক কার্পেট পেতে রাখেন, তাহলে আমরাও ব্ল্যাক রেজাল্ট দেখিয়ে দেব।’







