সার্বিকভাবে অনেকেই দাবি করেছে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন নাকি মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ। তবে সেখানে বারংবার উঠে এসেছে সিআরপিএফ জওয়ানদের দাদাগিরি। পাশাপাশি ভোটের ফল প্রকাশের দিন বিভিন্ন গণনা কেন্দ্র থেকে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সিআরপিএফের দাপটের ছবি স্পষ্ট হয়েছে। এবার ভোট পরবর্তী হিংসা ও গণনা কেন্দ্রে কার ছবির অভিযোগ নিয়ে বিজেপি ও ইলেকশন কমিশনকে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪ঠা মে পুরোপুরি ভোটের ঘোষণার আগেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাইক বাহিনীর দাপট শুরু হয়ে যায়। দুপুর ১২ টার পর বিজেপির দিকে ভোটের লিড সামনে আসতেই রীতিমত তপ্ত হতে শুরু করে রাজ্য। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল প্রার্থী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টের ওপর ধেয়ে আসে আক্রমণ। বিভিন্ন জায়গায় সেই ছবি উঠে এসেছে। পরবর্তীতে ধীর গতিতে কাউন্টিং চলার অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও বারংবার তৃণমূলের তরফে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়। তবে এই সমস্ত নিয়ম ভঙ্গের কাজের সময় সিসিটিভি ফুটেজ বন্ধ রাখার মত অভিযোগ ওঠে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ভোটদানের পর ৭০ শতাংশের কম চার্জ থাকার জায়গায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ চার্জ কিভাবে থাকতে পারে সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এবার সেই সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার আবেদন করে সরাসরি কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে যেভাবে ২৪ ঘন্টা পেরোনোর আগে একের পর এক তৃণমূলে পার্টি অফিস ভাঙচুর থেকে শুরু করে সমর্থকদের ওপর আক্রমণ নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ”আপনারা দেখেছেন গণনাকেন্দ্রে থেকে তৃণমূলকে তাড়িয়েছে। সেই সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করুক কমিশন! তারা কিছু করলেই তো সংবাদমাধ্যমকে হোয়াটসঅ্যাপ করে। এটাও দিক। কমিশন বলুক, গণনাকেন্দ্রে কিছু হয়নি। আমি মেনে নেব, জনাদেশ রয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, ১০০টি ফুটেজ দেব আমি, কমিশন অন্তত ১০টি ফুটেজ দিক। গণনাকেন্দ্রের সারা দিনের ফুটেজ দিক। বিশেষত সোমবার ১২টা থেকে ৬টার ফুটেজ দিক। জনতার উপরে ভরসা থাকলে, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করুন। আমি অভিযোগের প্রতিলিপি দিচ্ছি, যেখানে ইভিএমের নম্বর আর ১৭-সি মেলেনি। গণনার টেবিলে যে ইভিএম এসেছে, তা অন্য যন্ত্র ছিল। সোমবারও দিয়েছি কাউন্টিং এজেন্সিকে।”







