চিকিৎসার সরঞ্জাম ও জীবনদায়ী ওষুধের দামে বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চাইল সুপ্রিম কোর্ট। মাত্র ১৫ টাকায় কেনা একটি ড্রিপ লাইন রোগীদের কাছে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কেন? একইভাবে, ক্যানসারের একটি ইঞ্জেকশনের দাম কোথাও ১১ হাজার টাকা, আবার কোথাও ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা—এই দামের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দেশের শীর্ষ আদালত।
গত ২৭ অক্টোবর বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত দু’টি মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ও বেসরকারি হাসপাতালের মূল্যনীতি এবং সরকারের নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতিরা।
কেন্দ্রের দাবি, ওষুধের দামের উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। পাশাপাশি, বিদেশের তুলনায় ভারতে ওষুধের দাম কম বলেও আদালতে জানানো হয়। তবে বিচারপতিদের বক্তব্য, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ও রোগীদের আর্থিক সামর্থ্যও বিবেচনা করা জরুরি।
হাসপাতালের বিপুল পরিকাঠামো ও পরিষেবা খরচের যুক্তি তুলে ধরেন হাসপাতালগুলির আইনজীবী মুকুল রোহতগি। কিন্তু আদালতের প্রশ্ন, ওষুধের দাম কেন ১০০ থেকে ২০০ গুণ বেশি হবে? বিচারপতি মেহতার স্পষ্ট মন্তব্য, “রোগীদের নিয়ে ব্যবসা করবেন না।”
ওষুধের দামের এই বিপুল ব্যবধানের কারণ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা নিয়ে কেন্দ্রের ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত। এই মামলায় এখনও কোনও চূড়ান্ত রায় ঘোষণা হয়নি।







