নিজস্ব সংবাদদাতা : কথা ছিল নির্বাচন হবে শান্তির! কিন্তু হল কোথায়? পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বাংলা। শুক্রবার রাত থেকেই খুন হয়েছেন ৯ জন। তা বেড়ে সংখ্যা ছোঁয় ৩২। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে বুথগুলি। চলে লুঠতরাজ। যার দরুন কার্যতই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এরই প্রেক্ষিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উবাচ, ‘ভোট লুঠ করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। বহু বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়নি। ভোটে অশান্তি নিয়ে সরাসরি শাসক দল তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী পোঁছতেই পারেনি বেশিরভাগ বুথে। তাঁদের পৌঁছতে দেওয়া হয়নি’।
শনিবার পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে রাজ্যের নানা প্রান্তে দেদার ছাপ্পা ভোট, ব্যালট বাক্স নষ্ট ও চুরি, হিংসা, বোমাবাজি ও গুলিচালনা এবং প্রাণহানির যে একের পর এক অভিযোগ উঠেছে, তাতে কাঠগড়ায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শাসক-বিরোধীদের মধ্যে তরজা তুঙ্গে!
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে মোট ১০৫ টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাজ্য শাসক দলের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কেন্দ্রীয় বাহিনী একাধিক জায়গায় ভোটারদের প্রভাবিত করছেন, এমনই দাবী সরকারের।







