মমতাকে শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্টবারুইপুর-সহ একাধিক ইস্যুতে মিছিলের অনুমতি চেয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই আবেদনেই মিলল অনুমতি। তবে মিছিল করার জন্য শর্ত বেঁধে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মিছিল করলেও তা শেষ করতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।এখানেই শেষ নয় দেওয়া হয়েছে আরও কয়েকটি শর্ত।
আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, মিছিলের জন্য আম জনতাকে একেবারেই সমস্যায় ফেলা যাবে না। এমনকি , ১০০০ জনের বেশি শামিল হতে পারবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, মিছিলটি বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শুরু করে হাজরা মোড়ে গিয়ে শেষ করতে হবে। আমজনতার জন্য একটি লেন খোলা রাখতে হবে। আড়াইটের সময় শুরু করে মিছিল শেষ করতে হবে সাড়ে চারটের মধ্যে। সোমবার (৬ জুলাই) বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে মোমবাতি মিছিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই ৮ জুলাই বুধবার কলকাতার বুকে মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে আদালতে এই আবেদন জানান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেই অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট।উল্লেখ্য, বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলা। ইতিমধ্যেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অপরাধীদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা ঠিক যেভাবে তদন্ত চান সেই ভাবেই হবে কাজ। এমনকি আজ মঙ্গলবার(৭ জুলাই) নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছেন বারুইপুরে। এই প্রতিবেদনটি অন্যরকম করে একটা নিউজ করে দাও ফটো ছাড়া
হাই কোর্টের সবুজ সংকেত, শর্ত মেনেই হবে মমতার মিছিল; বেঁধে দেওয়া হল সময় ও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা
বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় মিছিল করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে আদালত মিছিলের অনুমতি দিলেও একাধিক কড়া শর্ত আরোপ করেছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মিছিলটি শুরু হবে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে এবং শেষ হবে হাজরা মোড়ে। নির্ধারিত সময় দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে চারটে—অর্থাৎ সর্বোচ্চ দু’ঘণ্টার মধ্যেই কর্মসূচি শেষ করতে হবে। এছাড়া মিছিলে এক হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিতে পারবেন না। সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য রাস্তার অন্তত একটি লেন সবসময় খোলা রাখতে হবে।
এর আগে বারুইপুরের ঘটনার প্রতিবাদে কালীঘাটে মোমবাতি মিছিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর কলকাতায় বৃহত্তর প্রতিবাদ মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূলের একটি পক্ষ। তাদের হয়ে আদালতে আবেদন জানান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয় কলকাতা হাই কোর্ট।
প্রসঙ্গত, বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত-সহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এবং তদন্ত এগিয়ে চলেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও উত্তেজনা তুঙ্গে, আর তারই আবহে আদালতের শর্তসাপেক্ষ অনুমতিতে বুধবারের এই মিছিল ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ।







