রাজ্যের অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা প্রকৃত দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে নতুন পদক্ষেপ নিল নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দপ্তর। আবেদন যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনতে একাধিক শ্রেণির আবেদনকারীকে আপাতত এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবী, আয়কর প্রদানকারী এবং সরকারি পেনশনভোগীরা অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তার জন্য বিবেচিত হবেন না। শুধু তাই নয়, সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারাটিচার, আশাকর্মী-সহ যাঁরা সরকারি সম্মানিক পান, তাঁদেরও আপাতত এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীর তালিকায় রাখা হচ্ছে না। দপ্তরের মতে, সীমিত অর্থ বরাদ্দের মধ্যে প্রকৃত অভাবী পরিবারগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।
এদিকে, অফলাইনে জমা পড়া হাজার হাজার আবেদন দ্রুত ডিজিটাইজ করার কাজ জোরকদমে চলছে। আবেদন যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রতিটি বিডিও অফিসে বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র বা হেল্প ডেস্ক চালু করা হচ্ছে। এর ফলে আবেদনকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরিষেবা সহজেই পাবেন।
পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করা হয়েছে। জাতীয় তথ্যবিজ্ঞান কেন্দ্র (এনআইসি)-এর সহযোগিতায় আবেদনকারীরা এখন বাড়িতে বসেই অনলাইনে নিজেদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন। এতে অযথা দপ্তরে বারবার যেতে হবে না এবং সময়ও বাঁচবে।
সরকারের আশা, নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রকৃত উপভোক্তাদের দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে।







